Friday, March 13, 2020

ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত বন্ধ কর-জুম্ম জনগণের একটিই দাবি

লেখকঃসুদীর্ঘ চাকমা,অংশুমান চাকমা,তাতিন্দ্র লাল চাকমা
[এই লেখাটি শুরু করেছিলেন সুদীর্ঘ চাকমা।কিন্তু লংগদু এলাকায় জনমত জরিপ করতে যেয়ে শত্রুরা তাঁকে ও তার সফর সঙ্গীদের ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে।তাই তার অসমাপ্ত কাজটা এগিয়ে নেয়া হয়েছে]

১৯৮৩ সালের ১৪ই জুন প্রথম সংঘটিত হয় জুম্ম জনগনের মধ্যেকার ভ্রাতৃঘাতী সংঘর্ষ।এই সংঘর্ষের প্রথম বলি হয়েছিলেন বলিওস্তাদ।তারপর এই প্রাণঘাতী সংঘর্ষ কেড়ে নিয়েছে বহু তাজা প্রাণ।১০ই নভেম্বর ১৯৮৩তে অসুস্থাবস্থায় নিহত হন জুম্ম জাতির কান্ডারী মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা(প্রবাহণ)।দীর্ঘ ২৩ মাস পর এই সংঘাত(এই গৃহযুদ্ধের) অবসান হলেও জুম্মজাতি আজো জানেনা এই যুদ্ধে জাতির ক্ষতির পরিমাণ কত?শত শত বছর ধরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিগুলো যে পার্বত্য চট্টগ্রামে ধীরে ধীরে নিশ্চিহ্ন ও ধ্বংস হচ্ছিল,সেই জাতিকে বেঁচে থাকার প্রেরণা যুগিয়ে হাতে নেয়া হয়েছিল অস্ত্র ।অস্ত্রের গর্জনে জুম্মজাতি জেগেছিল সত্যি,কিন্তু সেই অস্ত্রের ব্যবহারের প্রকৃত শিক্ষা কি এই জাতি গ্রহণ করতে পেরেছিল?সেটাই হচ্ছে আজকের জনগণের প্রশ্ন।
পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিগুলো অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য ব্রিটিশ প্রদত্ত যে নূন্যতম শাসনতান্ত্রিক অধিকার পাকিস্তান শাসনামলের দুই-তৃতীয়াংশ কাল পর্যন্ত স্বীকৃতি ছিল,তা ১৯৭২ সালে রচিত স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক -সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশের সংবিধানে স্বীকৃতি হয়নি।The Chittagong Hill Tracts Regulation ,1900(1 of 1900) এর স্বীকৃতিও সংবিধানে সুস্পষ্ট করা হয়নি।উপরন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামের এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিগুলোকে 'বাঙালী' হয়ে যাবার নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।এই বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে জুম্ম জনগ্ণ ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় হোক সশস্ত্র আন্দোলনকে সমর্থন দিয়ে এসেছে।২৫ বছর পর বাংলাদেশ সরকার যখন রাজনৈতিক অধিকার দিতে সম্মত হয় এবং নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় আন্দোলন করার সুযোগ সৃষ্টি হয়,তখন জুম্মজাতি এই সশস্ত্র সংগ্রাম ত্যাগ করে সরকারের সাথে চুক্তি সম্পাদন করে ।
কিন্তু চুক্তিকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয় মতভিন্নতা।চুক্তিপক্ষ ও বিপক্ষ।তখন পার্বত্য চট্টগ্রামে জুম্ম জনগণের চেনা পরিচিত এবং নিজস্ব পার্টি হিসেবে জানা ছিল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি।কিন্তু এই সমিতির নেতৃত্ব তাদের প্রথম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি।তারা চুক্তির পক্ষ ও বিপক্ষের মধ্যেকার দ্বন্ধের সঠিক মীমাংসা করতে পারেনি এবং এই দ্বন্ধের সঠিক মীমাংসার বদলে সেই পুরোনো অস্ত্রধারী মেজাজে এই সমস্যার সমাধানে অগ্রসর হয়।ফলে আরেকদফা অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘাতের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।এই সংঘাতের বয়স আজ ১৬ বছর পূর্ণ হতে চলেছে।যাদের মগজে এত সামরিক মেজাজ,যাদের এত সংঘাতের দক্ষতা,তারা এই দীর্ঘ ১৬ বছরেও কেন সমস্যার সমাধান দিতে পারলনা?
জীবিত অবস্থায় এমএন লারমা প্রায়ই বলতেন-"এই অস্ত্র কার হাতে তুলে দেয়া হবে?অস্ত্র তো আর যার তার হাতে তুলে দেয়া যায়না।" কিন্তু তাঁর এই কথাটা আজ আর কেউ স্মরণ করেনা ।কেননা আজ ভায়ের বুকে ভাই অস্ত্র চালাচ্ছে,নিরীহ লোকজনও এই অস্ত্রের হাতে প্রাণ দিতে বাধ্য হচ্ছে ।শিক্ষক,ছাত্র,বোবা এমনকি ২০ মাসের অবুঝ শিশুও আজ এই অস্ত্রের শিকার।তাহলে এই অস্ত্র কার হাতে তুলে দেয়া হয়েছে?কার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হচ্ছে এসব অস্ত্র?
বিভিন্ন এলাকায় যুদ্ধ হয়,মানুষ মারা যায়,লাশও শনাক্ত হয়;কিন্তু এই যুদ্ধের,এই হত্যার দ্বায় কেউ স্বীকার করেনা।কিন্তু সংঘটিত এলাকার মানুষ জানে ,কোন দলের  সাথে কোন দলের লড়াই হয়েছে;কোন দল কর্তৃক অপহরণ কিংবা হত্যা করা হয়েছে।কিন্তু তারপরেও তারা স্বীকার করেনা!আর কেউ স্বীকার না করলেও জোর করে স্বীকারোক্তি আদায় করা যায়না।তবে জনগণের সামনে কারা মিথ্যা বলছে,কারা ভন্ড রাজনীতিক সাজছে জনগণ ঠিকই জেনে যায়।
এমএন লারমা বলে গেছেন-"মানুষের জীবন কেড়ে নেয়া যায়,কিন্তু সে জীবন দান করা যায়না।" তবে তার মৃত্যুর ৩০ বছর পর দেখা যাচ্ছে জীবন কেড়ে নেয়াটাই নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।কিন্তু সে জীবন আর কারোর নয়-সেই জুম্ম স্বজাতি ভাইয়ের জীবন।কারো জীবন নাশ করতে পারলে কেউ হয়তো খুশী হয়,কিন্তু জনগ্ণ খুশী হয়না;তারা ব্যথিত হয়।কারণ সেই জীবনের সাথে আরও বহু জীবন নানাভাবে জড়িত।বিগত ১৬ বছরে অপহরণের উচ্চমাত্রার রেকর্ড আছে কার? আমরা হয়তো জানিনা,কিন্তু জুম্ম জনগণের সচেতন অংশ অবশ্যই জানে।
তাই মানুষ দিন দিন সোচ্চার,প্রতিবাদ করতে শুরু করেছে।গত ৩১ আগস্ট বরকল উপজেলাধীন সুবলং ইউনিয়নের মেম্বার বিমলেন্দু চাকমাকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে ।এই ঘটনার জন্য ৩০০জনের বেশী মানুষ প্রতিবাদে নেমেছে।প্রতিবাদের মাধ্যেমে তারা হত্যাকারীকে চিহ্নিত করতে পেরেছে কিন্তু সুবিচার পায়নি।প্রতিবাদের পরও যখন সুবিচার পায়নি,তখন ভবিষ্যতে প্রতিরোধের কথা ভাবতে বাধ্য হবে।এইভাবে রাজনৈতিক দল্গুলো দিন দিন এই সংঘাতের কারণে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে চলেছে।
এক সাধারণ সমীক্ষায় দেখা গেছে -পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির বাস্তবায়ন চায় ৯০% পাহাড়ী মানুষ।আর আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি চায় ৮০ শতাংশেরও বেশী মানুষ।তাই জনগনের সচেতন অংশের দাবী তিনটা আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল এক ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করুক-সংগ্রাম করুক।কিন্তু বিপরীতে দেখা যায়-সংঘর্ষে লিপ্ত দলগুলোর অধিকাংশ জনশক্তি ও অর্থশক্তি নিয়োজিত রয়েছে ঐ সংঘাতময় কাজে এবং দল্গুলোর সমস্ত মনোযোগও সন্নিবেশীত রয়েছে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করার কাজে।কিন্তু সংগ্রামের যে কোন কর্মসূচীতে সাধারণ জনগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতা ছাড়া তা কখনও সফল হতে পারেনা।যে কারণে ১৬ বছর ধরে চলে আসা ভ্রাতৃঘাতী সংঘর্ষের আজো কোন কূল-কিনারা নেই।জুম্ম জনগণের ৪(চার) ভাগের ৩(তিন) ভাগ মানুষ এখনও জানেনা এই ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতের কারণ কি ও উদ্দেশ্য কি।সমাজের অধিকাংশ মানুষ ভয়ে কিছুই বলতে চাননা ।তবে সমাজের অধিকাংশ মানুষ চুক্তির পর আর সংঘর্ষ চাননা।তাই এই সংঘাত বন্ধ করার জন্য বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা সদরে  মানববন্ধন করা হয়েছে।
বিগত পাঁচ বছরে রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে জুম্ম জনগণ কয়েকবার সাম্প্রদায়িক মুখোমুখি হয়েছে।ইসলামী সম্প্রসারণবাদের ধারক-বাহকেরা বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রামে খুবই সক্রিয়।তারা একদিকে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে একত্রিত করে সংঘবদ্ধ আক্রমণ চালাচ্ছে,অপরদিকে পাহাড়ী শক্তিগুলোর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির জন্য নানাভাবে উস্কানী দিচ্ছে।এই উস্কানীর উদাহরণ দেখা যায় দল্গুলোর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে।কোনো দল নির্মূল করার ঘোষণা দেয়,নিষিদ্ধ করার দাবী জানায়,কোনো দল আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের দাবী জানায় ।যার ফলে সাম্প্রদায়িক শক্তির নৃশংস আক্রমণেও দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হতে পারেনা।তারা এককভাবে সর্বশক্তিমান হিসেবে আবির্ভূত হতে চায়,আর অন্যদের সহযোগীতাকে প্রত্যাখ্যান করে।বিগত সময়গুলোতে দেখা গেছে সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলো একজোট হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির বিরুদ্ধে কঠোর কর্মসূচী দিয়েছে।কিন্তু চুক্তির পক্ষে সেভাবে কোন জোড়ালো কর্মসূচী কার্যকরী হতে পারেনি।
বর্তমানে ইসলামী সম্প্রসারণবাদী শক্তি কোনো পাহাড়ী দলকে শক্তিশালী হতে দেয়না।যে দলটি একটু শক্তিশালী হয়েছে বলে মনে করে,সে দলকে আঘাত করে এবং সেই দলের প্রতিপক্ষকে নানাভাবে মদত দিতে চেষ্টা করে।ফলে ইচ্ছা করলেও তার প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন বা ধ্বংস করতে পারেনা।এতে শত্রুপক্ষের ভাগ করা ও শাসন করার নীতি কার্যকরী করতে সহজ হচ্ছে।বিপরীতে জুম্ম জনগণ দিন দিন ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে ধ্বংসের পথে এগোচ্ছে।কিন্তু জুম্ম জনগণ নিজেদের ধ্বংস করতে চায় না। এই ধ্বংস না হওয়ার তাড়না থেকে দাবী -আঞ্চলিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করুক।
জুম্ম জনগণের এই দাবীর যৌক্তিকতা আছে।কারণ এতদিন যারা মনে করতেন যে,চুক্তি বাস্তবায়নে সন্তু লারমার প্রয়োজনীয়তা আছে,কিন্তু এই ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতের কারণে সন্তু লারমা ১৬ বছর পর বরঞ্চ নিজেই কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন।যার কারণে চুক্তি বাস্তবায়নের আগে ইউপিডিএফ-কে নির্মূল করতে হবে বলে ঘোষণা দেন।বিগত ১৬ বছরে যা পারেননি আগামীতে এত সহজে ওদের নির্মূল করতে পারবেন তা কিন্তু কেউ আর বিশ্বাস করতে চায় না।অপরদিকে ইউপিডিএফের যে অভিযাত্রা তারও কোন কূল কিনারা নেই।অথচ দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি,যে চুক্তির বাস্তবায়নে সরকার শুধুমাত্র তালবাহানা করেই চলেছে।সাধারণ মানুষের ধারণা-সকল দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে কিছু না কিছু দেশপ্রেম আছে,অথচ কোন দলই ততটা শক্তিশালী নয় ।অতএব,সবাই মিলে একটা বড় শক্তি গড়ে তোলা প্রয়োজন-যা দিয়ে বাস্তবসম্মত একটা লড়াই এর জন্য প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব হতে পারে।
রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক লাইন ঠিক থাকলে দলগুলোর নিজেদের প্রভাব প্রতিপত্তি বিস্তার করতে কোন অসুবিধা হবার কথা নয়।তারা সংঘাতে জড়িত না হয়ে সাংগঠনিক উপায়ে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে নিতেই পারে।তাই জনগণ মনে করে -এই সংঘাত বর্জন করা সম্ভব এবং কর্মসূচীগত জুম্ম জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলাও সম্ভব।জুম্ম জনগণ আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল্গুলোকে বিবেচনাস করে সেই দলের মেজাজ,বিশেষতঃ জাতীয় স্বার্থে তারা কতটুকু ঐক্যবদ্ধ হতে প্রস্তুত;সেই বাস্তবতার উপর।তাই বর্তমান বাস্তবতা হচ্ছে,যে দল ঐক্যের পক্ষে কাজ করবেনা সেই দল জুম্ম জনগণের সমর্থন ও সহানুভূতি হারাতে থাকবে।
এই সংঘাতে জড়িত একটি দল (সন্তু লারমার দল) নিজের কর্মীদের সামনে একটি কথার ব্যাখ্যা দেয়-"এটা কোন ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত ন্য-এটা হচ্ছে শ্রেণী-সংগ্রাম।"কিন্তু মহান নেতা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা লিখেছেন-"প্রগতিশী চিন্তাধারা কঠোরভাবে শ্রেণীসংগ্রাম পরিচালনা করতে পারেনি ঐতিহাসিক কারণেঃ-যেহেতু জুম্ম সমাজ সব দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া,শিক্ষা-সংস্কৃতি-আর্থিক সব দিক দিয়ে অনুন্নত,লোকসংখ্যা অত্যন্ত কম এবং জন্মভূমিও ক্ষুদ্র;সেহেতু জুম্ম সমাজ সবদিক দিয়ে পরনির্ভরশীল। এমন পরনির্ভরশীল জাতি পৃথিবীতে খুবই কম রয়েছে।এমন জাতিকে আজ অবলুপ্তির পথ থেকে মুক্তি পাবার জন্য সংগ্রামের পথে এগিয়ে আসঅতে হয়েছে।
---সংগ্রামে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা যদিও বেশী কিন্তু রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণের মাধ্যমে ইহা পাওয়া যায় যে,প্রগতিশীল চিন্তাধারায় উদ্বুদ্ধ সক্রিয় ও উদ্যোগী কর্মীর সংখ্যা খুবই কম।তাই প্রগতিশীল চিন্তাধারার আলোকে জাতীয় অস্তিত্ব ও জন্মভূমির অস্তিত্ব সংরক্ষণের সংগ্রামে অংশগ্রহণকারীদের বিচার করলে এবং সেভাবে বাছাই প্রক্রিয়া চালু করলে বিপরীত ফলই পাওয়া যাবে"
এমএন লারমার এই বক্তব্য বিশ্লেষণ খুবই বাস্তবসম্মত।কারণ সংঘাতে লিপ্ত দলগুলো দিন দিন সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে এবংসেই দলগুলোতে নূতন কর্মীর সমাগম হতে পারছেনা।তাই এমএন লারমার বক্তব্য এবং বর্তমান জুম্ম জনগনের দাবী সেই একই কথাঃ-কঠোরতা নয়,চাই নমনীয়তা;সংঘাত নয়,চাই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন।

প্রকাশঃ প্রবাহণ,১০ নভেম্বর ১৯৮৩ স্মরণে স্মরণিকা ২০১৩,পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি।







No comments: