লেখকঃপেদেলা চাঙমা(ছদ্মনাম)
31 October 2019
31 October 2019
>ভারতের মনিপুর রাজ্যের দুই বিদ্রোহী নেতা ইয়ামবিন বিরেন ও নরেংবাম সমরজিৎ গত ৩০ অক্টোবর লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মনিপুর রাজ্যে স্বাধীনতার ঘোষণা করেন।
তারা লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে
প্রবাসী মনিপুর সরকার গঠণ করা হয়েছে বলেও ঘোষণা করেছেন।
এবং ইয়ামবিন বিরেন নিজেকে প্রবাসী সরকারের মূখ্যমন্ত্রী ও নরেংবাম সমরজিৎ পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে দাবী করেন।
তারা পৃথিবীর সকল দেশের প্রতি তাদেরকে স্বাধীনতার স্বীকৃতি প্রদানের জন্য আহ্বান করেছেন,
এবং মনিপুরকে জাতিসংঘের সদস্য বানানোর জন্যও আহ্বান করেন।
এবিষয়ে ব্রিটিশ ভারত দূতাবাসের পক্ষ থেকে এখনো কোন মন্তব্য করা হয়নি,
ভারতও এবিষয়ে এখনো চুপ রয়েছেন।
তারা লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে
প্রবাসী মনিপুর সরকার গঠণ করা হয়েছে বলেও ঘোষণা করেছেন।
এবং ইয়ামবিন বিরেন নিজেকে প্রবাসী সরকারের মূখ্যমন্ত্রী ও নরেংবাম সমরজিৎ পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে দাবী করেন।
তারা পৃথিবীর সকল দেশের প্রতি তাদেরকে স্বাধীনতার স্বীকৃতি প্রদানের জন্য আহ্বান করেছেন,
এবং মনিপুরকে জাতিসংঘের সদস্য বানানোর জন্যও আহ্বান করেন।
এবিষয়ে ব্রিটিশ ভারত দূতাবাসের পক্ষ থেকে এখনো কোন মন্তব্য করা হয়নি,
ভারতও এবিষয়ে এখনো চুপ রয়েছেন।
>মূলত এ স্বাধীনতার ঘোষণা মনিপুরের ৩০ লক্ষ আদিবাসীদের উপর কি প্রভাব পড়বে বা ভারত সরকার এ বিষয়ে কি পদক্ষেপ নিতে চলেছে তা এখন দেখার বিষয়।
এসকল স্বাধীনতার ঘোষণা শুধু মনিপুর কেন ভারতের অন্যান্য স্বাধীনতাকামী রাজ্য কিংবা বিশ্বের যেকোন স্বাধীনতাকামী স্টেটগুলোও দিতে পারবে
প্রবাসী সরকার গঠণ করার মাধ্যমে।
কিন্তু এর ফল কি হতে পারে তা অবশ্যই তাদের ভাবা দরকার।
আমার সন্দেহ হয় যে যেসব নেতারা স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে ফেলেছেন তাদের দূরদর্শী চিন্তাভাবনা ছাড়াই তারা ঘোষণা দিয়ে ফেলেছেন।
তারা স্বাধীনতা ঘোষণার মাধ্যমে
মনিপুরের ৩০ লক্ষ আদিবাসীদের যে পরিস্থিতির সম্মুখীন করাতে যাচ্ছেন তা তারা কল্পনা করতে পারছেননা।
তারা হয়তো কাশ্মীর ইস্যুটাকেও ভুলে গেছেন,কাশ্মীরকে যেভাবে এখন অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে মনিপুরকেও সেভাবে করা হবেনা তার গ্যারান্টি কি?
একসময় স্বাধীনতার জন্য ভারতের সেভেন সিস্টার কান্ট্রিগুলো কত আন্দোলন করেছিল কিন্তু সফল হতে পারেনি,
আজ এই বিচ্ছিন্নভাবে মনিপুরে স্বাধীনতার ঘোষণা তা মনিপুরের জনগোষ্ঠীদের জন্য কখনো সুফল বয়ে আনতে পারবেনা বলে আমার বিশ্বাস।
গত ১৪ই আগস্ট নাগাল্যান্ডবাসীরা নিজেদের নাগা জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে স্বাধীনতা দিবস পালন করে,
নাগাল্যান্ড,মনিপুর,অরুণাচল প্রদেশ,আসাম ও মিয়ানমায়ের কিছু বিস্তীর্ণ অঞ্চল নিয়ে নাগা স্বাধীনভূমি বা "নাগালীম" গঠণের দাবী বহুদিনের পুরনো।
এই দাবীতে বহুদিন ধরেই সহিংস আন্দোলন করে যাচ্ছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠণ "এনএসসিআই"।
তবে এনএসসিআই দুভাগে ভাগ হয়ে পড়ায় কিছুটা আন্দোলনের গতি হ্রাস পেয়েছে।
কিন্তু মনিপুরে হঠাৎ করে এই স্বাধীনতার ঘোষণায় আমাকেও বিস্মিত করেছে।
এসকল স্বাধীনতার ঘোষণা শুধু মনিপুর কেন ভারতের অন্যান্য স্বাধীনতাকামী রাজ্য কিংবা বিশ্বের যেকোন স্বাধীনতাকামী স্টেটগুলোও দিতে পারবে
প্রবাসী সরকার গঠণ করার মাধ্যমে।
কিন্তু এর ফল কি হতে পারে তা অবশ্যই তাদের ভাবা দরকার।
আমার সন্দেহ হয় যে যেসব নেতারা স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে ফেলেছেন তাদের দূরদর্শী চিন্তাভাবনা ছাড়াই তারা ঘোষণা দিয়ে ফেলেছেন।
তারা স্বাধীনতা ঘোষণার মাধ্যমে
মনিপুরের ৩০ লক্ষ আদিবাসীদের যে পরিস্থিতির সম্মুখীন করাতে যাচ্ছেন তা তারা কল্পনা করতে পারছেননা।
তারা হয়তো কাশ্মীর ইস্যুটাকেও ভুলে গেছেন,কাশ্মীরকে যেভাবে এখন অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে মনিপুরকেও সেভাবে করা হবেনা তার গ্যারান্টি কি?
একসময় স্বাধীনতার জন্য ভারতের সেভেন সিস্টার কান্ট্রিগুলো কত আন্দোলন করেছিল কিন্তু সফল হতে পারেনি,
আজ এই বিচ্ছিন্নভাবে মনিপুরে স্বাধীনতার ঘোষণা তা মনিপুরের জনগোষ্ঠীদের জন্য কখনো সুফল বয়ে আনতে পারবেনা বলে আমার বিশ্বাস।
গত ১৪ই আগস্ট নাগাল্যান্ডবাসীরা নিজেদের নাগা জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে স্বাধীনতা দিবস পালন করে,
নাগাল্যান্ড,মনিপুর,অরুণাচল প্রদেশ,আসাম ও মিয়ানমায়ের কিছু বিস্তীর্ণ অঞ্চল নিয়ে নাগা স্বাধীনভূমি বা "নাগালীম" গঠণের দাবী বহুদিনের পুরনো।
এই দাবীতে বহুদিন ধরেই সহিংস আন্দোলন করে যাচ্ছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠণ "এনএসসিআই"।
তবে এনএসসিআই দুভাগে ভাগ হয়ে পড়ায় কিছুটা আন্দোলনের গতি হ্রাস পেয়েছে।
কিন্তু মনিপুরে হঠাৎ করে এই স্বাধীনতার ঘোষণায় আমাকেও বিস্মিত করেছে।
>পুরো বিশ্ব এখন সন্ত্রাসবাদের(অ
ধিকারের জন্য আন্দোলন করলেও এখন বিদ্রোহীদের সন্ত্রাসবাদ আখ্যা দেয়া হচ্ছে) বিরুদ্ধে,
বিশ্বজুড়ে এখন আন্দোলন সংগ্রামের কোন জোয়ার নেই,
বিশ্বব্যাপী আন্দোলনে এখন ভাটার সময়।
সুতরাং এই ভাটার সময়ে তাদের এই স্বাধীনতার ঘোষণা তাদেরকে বিপদের দিকে ঠেলে দেবে এটা নিশ্চিত।
ঊনিবিংশ শতকের সময় সৌভিয়েত ইউনিয়ন,চীন বিপ্লব,ভীয়েতনাম বিপ্লব,কিউবা বিপ্লব ইত্যাদি আন্দোলনের সময় বিশ্বজুড়ে আন্দোলনের জোয়ার ছিলো বলে বহু আন্দোলন সফলতার মুখও দেখেছিল,
তৎসময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামেও শান্তিবাহিনীরা সশস্ত্র আন্দোলন পরিচালনা করতে পেরেছিল।
যখন সোভিয়েত রাশিয়া ভেঙ্গে গেল বিশ্বজুড়ে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন থমকে গেল তখনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে
বিদ্রোহীদের দমন করা হয়েছিল।
আন্দোলনের জোয়ার ভাটার সাথে তাল মিলাতে না পেরে বিশ্বের নাম্বার ওয়ান গেরিলা সংগঠণ তামিল টাইগার্সরাও
হারিয়ে গিয়েছিল।
আন্দোলনের জোয়ার-ভাটার সাথে তাল না রেখে শান্তিবাহিনী তথা জেএসএস যদি চুক্তি না করে সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যেত তাহলে তামিল টাইগার্সদের মত আমাদের আন্দোলনও সেখানেই থমকে যেতে বাধ্য হত।
ঠিক তেমনি আন্দোলনের এই ভাটার সময়ে মনিপুরে স্বাধীনতার ঘোষণা তাদের জন্য বিশাল এক চেলেঞ্জ বলে মনে আমি করি।
ধিকারের জন্য আন্দোলন করলেও এখন বিদ্রোহীদের সন্ত্রাসবাদ আখ্যা দেয়া হচ্ছে) বিরুদ্ধে,
বিশ্বজুড়ে এখন আন্দোলন সংগ্রামের কোন জোয়ার নেই,
বিশ্বব্যাপী আন্দোলনে এখন ভাটার সময়।
সুতরাং এই ভাটার সময়ে তাদের এই স্বাধীনতার ঘোষণা তাদেরকে বিপদের দিকে ঠেলে দেবে এটা নিশ্চিত।
ঊনিবিংশ শতকের সময় সৌভিয়েত ইউনিয়ন,চীন বিপ্লব,ভীয়েতনাম বিপ্লব,কিউবা বিপ্লব ইত্যাদি আন্দোলনের সময় বিশ্বজুড়ে আন্দোলনের জোয়ার ছিলো বলে বহু আন্দোলন সফলতার মুখও দেখেছিল,
তৎসময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামেও শান্তিবাহিনীরা সশস্ত্র আন্দোলন পরিচালনা করতে পেরেছিল।
যখন সোভিয়েত রাশিয়া ভেঙ্গে গেল বিশ্বজুড়ে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন থমকে গেল তখনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে
বিদ্রোহীদের দমন করা হয়েছিল।
আন্দোলনের জোয়ার ভাটার সাথে তাল মিলাতে না পেরে বিশ্বের নাম্বার ওয়ান গেরিলা সংগঠণ তামিল টাইগার্সরাও
হারিয়ে গিয়েছিল।
আন্দোলনের জোয়ার-ভাটার সাথে তাল না রেখে শান্তিবাহিনী তথা জেএসএস যদি চুক্তি না করে সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যেত তাহলে তামিল টাইগার্সদের মত আমাদের আন্দোলনও সেখানেই থমকে যেতে বাধ্য হত।
ঠিক তেমনি আন্দোলনের এই ভাটার সময়ে মনিপুরে স্বাধীনতার ঘোষণা তাদের জন্য বিশাল এক চেলেঞ্জ বলে মনে আমি করি।
>হংকং এবং তাইওয়ান এর জনগণ গণচীন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীনতার জন্য এখনো লড়ে যাচ্ছে কিন্তু কিছুই হচ্ছেনা।
মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে রহিঙ্গারা সশস্ত্র সংগ্রাম করার চেষ্টা করেছিল কিন্তু তারাও ব্যর্থ হয়ে এখন দেশান্তরী।
এছাড়াও এখনো বিভিন্ন দেশে স্বাধীনতার জন্য বিভিন্ন স্টেটগুলোতে আন্দোলন চলমান রয়েছে কিন্তু ফলাফল দাড়াঁচ্ছে শূণ্য।
মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে রহিঙ্গারা সশস্ত্র সংগ্রাম করার চেষ্টা করেছিল কিন্তু তারাও ব্যর্থ হয়ে এখন দেশান্তরী।
এছাড়াও এখনো বিভিন্ন দেশে স্বাধীনতার জন্য বিভিন্ন স্টেটগুলোতে আন্দোলন চলমান রয়েছে কিন্তু ফলাফল দাড়াঁচ্ছে শূণ্য।
>তবে মনিপুরের আশার আলো এই যে ভারতকে বিপদে ফেলার জন্য ভারতের শত্রুদেশগুলো মনিপুরকে স্বাধীনতার স্বীকৃতি দিতে পারে।
যেমন কাশ্মীর ইস্যুকে নিয়ে পাকিস্তানের সাথে ভারতের যে দ্বন্ধ,
অরুণাচল প্রদেশ কিংবা কাশ্মীরকে নিয়ে চীনের সাথে যে শত্রুটা।
সেক্ষেত্রে ভারতের অভ্যন্তরীণ দ্বন্ধগুলো বৃদ্ধি করে শত্রুদেশগুলো তাদের সুবিধা লাভের চেষ্টা করতে পারে।
হয়তোবা ভারতের অন্যান্য রাজ্যে স্বাধীনতাকামী সংগঠণগুলোকেও শত্রুদেশগুলো উস্কে দিতে পারে।
এখন যদি মনিপুরের সাথে তাল মিলিয়ে আসাম,মিজোরাম,নাগাল্যান্ড,অরুণাচল ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন রাজগুলোতে স্বাধীনতা বা আন্দোলনের জোয়ার উঠে তাহলে ভারতের জন্য বিশাল হুমকি হয়ে দাড়াঁবে এবং পাকিস্তানের মত শত্রু রাষ্ট্রগুলো গোপনে স্বাধীনতাকামী সংগঠণগুলোকে সহায়তা দিয়ে যাবে।
ভারতের শত্রুদেশগুলো যদিও মনিপুর রাজ্য কিংবা অন্যান্য রাজ্যগুলোকে স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেয় তবে তারা এই নয় যে মনেপ্রাণে তারা স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন করছে,
শুধুমাত্র শত্রুতার কারণে ভারতকে খন্ড-বিখন্ড করে দুর্বল করার জন্যই তারা সমর্থন দেবে এর বেশী নয়।
যেমন কাশ্মীর ইস্যুকে নিয়ে পাকিস্তানের সাথে ভারতের যে দ্বন্ধ,
অরুণাচল প্রদেশ কিংবা কাশ্মীরকে নিয়ে চীনের সাথে যে শত্রুটা।
সেক্ষেত্রে ভারতের অভ্যন্তরীণ দ্বন্ধগুলো বৃদ্ধি করে শত্রুদেশগুলো তাদের সুবিধা লাভের চেষ্টা করতে পারে।
হয়তোবা ভারতের অন্যান্য রাজ্যে স্বাধীনতাকামী সংগঠণগুলোকেও শত্রুদেশগুলো উস্কে দিতে পারে।
এখন যদি মনিপুরের সাথে তাল মিলিয়ে আসাম,মিজোরাম,নাগাল্যান্ড,অরুণাচল ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন রাজগুলোতে স্বাধীনতা বা আন্দোলনের জোয়ার উঠে তাহলে ভারতের জন্য বিশাল হুমকি হয়ে দাড়াঁবে এবং পাকিস্তানের মত শত্রু রাষ্ট্রগুলো গোপনে স্বাধীনতাকামী সংগঠণগুলোকে সহায়তা দিয়ে যাবে।
ভারতের শত্রুদেশগুলো যদিও মনিপুর রাজ্য কিংবা অন্যান্য রাজ্যগুলোকে স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেয় তবে তারা এই নয় যে মনেপ্রাণে তারা স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন করছে,
শুধুমাত্র শত্রুতার কারণে ভারতকে খন্ড-বিখন্ড করে দুর্বল করার জন্যই তারা সমর্থন দেবে এর বেশী নয়।
সুতরাং আমি মনে করি বিশ্বজুড়ে আন্দোলনের যে ভাটার সময়ে তারা বিচ্ছিন্নভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা করলো তা তাদের জম্মু ও কাশ্মীরের মত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা প্রচুর বলে আমার ধারণা।
সর্বোপরি আন্দোলনের জোয়ার-ভাটা পর্যবেক্ষণ না করে আন্দোলন পরিচালনা করা যেমন সংগঠণের ক্ষতি ডেকে আনবে তেমনি রাজ্য -স্টেট বা সমগ্র জনগণের উপর চরম বিপদ অপেক্ষা করবে।
সর্বোপরি আন্দোলনের জোয়ার-ভাটা পর্যবেক্ষণ না করে আন্দোলন পরিচালনা করা যেমন সংগঠণের ক্ষতি ডেকে আনবে তেমনি রাজ্য -স্টেট বা সমগ্র জনগণের উপর চরম বিপদ অপেক্ষা করবে।
পৃথিবীর সকল মুক্তিকামী মানুষদের জন্য শুভকামনা।

No comments:
Post a Comment