১)
পাহাড়ের রাজনীতিকে বুঝতে হলে,বর্তমান পরিস্থিতির উৎপত্তি সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের পূর্বের ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো,
অতীত ইতিহাসগুলো অবশ্যই জানা প্রয়োজন।
তারপর বর্তমান জুম্মদের এই নাজুক পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের জন্য কি করণীয় আমাদের সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারবো বলে আমার বিশ্বাস।
৮৩'তে জুম্মদের প্রথম গৃহযুদ্ধ হয়েছিল,যেখানে জুম্ম জাতীয়তাবাদের জনক এম এন লারমাসহ বহু ত্যাগী নেতাকর্মীকে হারিয়েছি।
সেই গৃহযুদ্ধ থেকে উত্তরণ ঘটে পুণরায় রাষ্ট্রের সাথে সশস্ত্র সংগ্রাম করে ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর জনসংহতি সমিতি সরকারকে চুক্তি সম্পাদন করতে বাধ্য করে।
এই চুক্তিকে ঘিরেই জুম্মদের মধ্য শুরু হয় ২য় পর্যায়ের গৃহযুদ্ধ।
চুক্তির পূর্ববর্তী পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ ও পাহাড়ী গণপরিষদের কিছু নেতাকর্মী জেএসএস নেতা সন্তু লারমার সাথে চুক্তি বিষয়ে কিছু আলোচনা করতে চেয়েছিলেন।কিন্তু সন্তু লারমা তাদেরকে "নাক চিবিলে দুধ নিগিলে" বলে তাদের সাথে আলোচনা করেননি।অর্থাৎ সন্তু লারমা তাদেরকে রাজনৈতিক অপরিপক্ক ও বয়সে একটু কম বলে গুরুত্ব দেননি।
হয়তো সন্তু লারমা নিজের অহংকার ও দম্ভ দেখিয়েছিল।
ফলে গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা এই মতানৈক্যের সুযোগ কাজে লাগাতে চুক্তি স্বাক্ষর কালীন সময়ে চুক্তির বিরোধিতা করে ওসব ছাত্রনেতা সহ কিছু লোককে দিয়ে মিছিল করায়।
চুক্তির পর দেশের বৃহত্তর বিরোধী দল বিএনপির সাথে ওসব চুক্তির বিরোধিতা কারীরা চুক্তি বাতিলের দাবী জানিয়ে হরতাল-লংমার্চের মত কর্মসূচী দিয়েছিল।
সেনা-গোয়েন্দাদের সহযোগীতায় চুক্তির বিরোধীতা করে ১৯৯৮ সালের ২৬শে ডিসেম্বর মিথ্যা ভূয়া পূর্ণসায়ত্বশাসনের নাম দিয়ে আত্মপ্রকাশ করে ইউপিডিএফ।
অথচ গোটা দুনিয়াজুড়ে পূর্ণসায়ত্তশাসন নামে কোন স্বায়ত্তশাসনই আমরা দেখিনা।
তাহলে আমাদের ধরে নিতে হবে ইউপিডিএফই পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তা!
পুরোবিশ্বই জানে স্বায়ত্তশাসন ৩প্রকার সেখানে ইউপিডিএফ পুরো বিশ্বকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে!
প্রতিষ্ঠার পর হতে ইউপিডিএফ চুক্তি বাস্তবায়নে বাধাগ্রস্থ করার জন্য অস্ত্র সমর্পন করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা জনসংহতি সমিতির সদস্যদের সেনা-গোয়েন্দাদের সহযোগীতায় একের পর এক হত্যা করে।
সেনা-গোয়েন্দা অস্ত্র গোলাবারুদ সরবরাহ করতো,দেশীয় অস্ত্রসহ বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করতো।একটা সময় জনসংহতি সমিতি আত্মরক্ষার জন্য প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুললে শুরু হয় রক্তক্ষয়ী সংঘাত।
বিপুল পরিমাণ অস্ত্র সরবরাহের তাগিদে ইউপিডিএফ চুরি,ডাকাতি অপহরণের মত বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে।২০০৩ সালে তিন বিদেশী নাগরিককে অপহরণ করে বিপুল পরিমাণ মুক্তিপণ আদায়ের কথা আমরা সকলেই জানি।
ইউপিডিএফের তান্ডবে পুরো খাগড়াছড়ি জেলার মধ্য দীঘিনালা ও খাগড়াছড়ি সদরের কিছু এলাকা ব্যতীত জেএসএসের প্রায় শূণ্য হয়ে গিয়েছিল।
পাহাড়ের রাজনীতিকে বুঝতে হলে,বর্তমান পরিস্থিতির উৎপত্তি সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের পূর্বের ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো,
অতীত ইতিহাসগুলো অবশ্যই জানা প্রয়োজন।
তারপর বর্তমান জুম্মদের এই নাজুক পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের জন্য কি করণীয় আমাদের সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারবো বলে আমার বিশ্বাস।
৮৩'তে জুম্মদের প্রথম গৃহযুদ্ধ হয়েছিল,যেখানে জুম্ম জাতীয়তাবাদের জনক এম এন লারমাসহ বহু ত্যাগী নেতাকর্মীকে হারিয়েছি।
সেই গৃহযুদ্ধ থেকে উত্তরণ ঘটে পুণরায় রাষ্ট্রের সাথে সশস্ত্র সংগ্রাম করে ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর জনসংহতি সমিতি সরকারকে চুক্তি সম্পাদন করতে বাধ্য করে।
এই চুক্তিকে ঘিরেই জুম্মদের মধ্য শুরু হয় ২য় পর্যায়ের গৃহযুদ্ধ।
চুক্তির পূর্ববর্তী পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ ও পাহাড়ী গণপরিষদের কিছু নেতাকর্মী জেএসএস নেতা সন্তু লারমার সাথে চুক্তি বিষয়ে কিছু আলোচনা করতে চেয়েছিলেন।কিন্তু সন্তু লারমা তাদেরকে "নাক চিবিলে দুধ নিগিলে" বলে তাদের সাথে আলোচনা করেননি।অর্থাৎ সন্তু লারমা তাদেরকে রাজনৈতিক অপরিপক্ক ও বয়সে একটু কম বলে গুরুত্ব দেননি।
হয়তো সন্তু লারমা নিজের অহংকার ও দম্ভ দেখিয়েছিল।
ফলে গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা এই মতানৈক্যের সুযোগ কাজে লাগাতে চুক্তি স্বাক্ষর কালীন সময়ে চুক্তির বিরোধিতা করে ওসব ছাত্রনেতা সহ কিছু লোককে দিয়ে মিছিল করায়।
চুক্তির পর দেশের বৃহত্তর বিরোধী দল বিএনপির সাথে ওসব চুক্তির বিরোধিতা কারীরা চুক্তি বাতিলের দাবী জানিয়ে হরতাল-লংমার্চের মত কর্মসূচী দিয়েছিল।
সেনা-গোয়েন্দাদের সহযোগীতায় চুক্তির বিরোধীতা করে ১৯৯৮ সালের ২৬শে ডিসেম্বর মিথ্যা ভূয়া পূর্ণসায়ত্বশাসনের নাম দিয়ে আত্মপ্রকাশ করে ইউপিডিএফ।
অথচ গোটা দুনিয়াজুড়ে পূর্ণসায়ত্তশাসন নামে কোন স্বায়ত্তশাসনই আমরা দেখিনা।
তাহলে আমাদের ধরে নিতে হবে ইউপিডিএফই পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তা!
পুরোবিশ্বই জানে স্বায়ত্তশাসন ৩প্রকার সেখানে ইউপিডিএফ পুরো বিশ্বকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে!
প্রতিষ্ঠার পর হতে ইউপিডিএফ চুক্তি বাস্তবায়নে বাধাগ্রস্থ করার জন্য অস্ত্র সমর্পন করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা জনসংহতি সমিতির সদস্যদের সেনা-গোয়েন্দাদের সহযোগীতায় একের পর এক হত্যা করে।
সেনা-গোয়েন্দা অস্ত্র গোলাবারুদ সরবরাহ করতো,দেশীয় অস্ত্রসহ বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করতো।একটা সময় জনসংহতি সমিতি আত্মরক্ষার জন্য প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুললে শুরু হয় রক্তক্ষয়ী সংঘাত।
বিপুল পরিমাণ অস্ত্র সরবরাহের তাগিদে ইউপিডিএফ চুরি,ডাকাতি অপহরণের মত বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে।২০০৩ সালে তিন বিদেশী নাগরিককে অপহরণ করে বিপুল পরিমাণ মুক্তিপণ আদায়ের কথা আমরা সকলেই জানি।
ইউপিডিএফের তান্ডবে পুরো খাগড়াছড়ি জেলার মধ্য দীঘিনালা ও খাগড়াছড়ি সদরের কিছু এলাকা ব্যতীত জেএসএসের প্রায় শূণ্য হয়ে গিয়েছিল।
২)
পরবর্তীতে জনসংহতি সমিতির প্রবল আক্রমণে ইউপিডিএফ কিছুটা থমকে গিয়েছিল। ওয়ান ইলেভেনের সময় যখন দেশে তত্বাবধায়ক সরকারের শাসন চলছিল তখন জনসংহতি সমিতিতে বিভিন্নরকমের মতানৈকের খবর পাওয়া যায়।যার শুরু ২০০৫ সালের দিকে।
ইউপিডিএফ যখন নিভু নিভু হয়ে গিয়েছিল জনসংহতি সমিতির কাছে আত্মসমর্পণের কথা পাকাপোক্ত হয়েছিল,
ঠিক সেসময় জনসংহতি সমিতির উপর কোপ বসিয়েছিল এদেশের গোয়েন্দা সংস্থা সহ সেনাবাহিনী।
সন্তু লারমা সেচ্ছাসারিতা,একগুয়েমির কারণে অনেক নেতাকর্মীকে সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছিল।
তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর চাকমার সাথে সন্তু লারমার কাজে কর্মে দূরত্ব বেড়ে যায়।
জনসংহতি সমিতিতে সিন্ডিকেট তৈরি হয়ে যায়। ফলে সাধারণ কর্মীদের মধ্য নেতাবাদ সৃষ্টি হয়,সে অমুক নেতার মানুষ ও অমুক নেতার মানুষ ইত্যাদি।
জনসংহতি সমিতিতে প্রথম সংঘাত শুরু হয় দীঘিনালাতে,এরপর পুরো সংগঠনে ছড়িয়ে পড়ে।
নবম জাতীয় সম্মেলনে সন্তু লারমা সিনিয়র সহ-সভাপতি সুধাসিন্ধু খীসা,সহ-সভাপতি রুপায়ন দেওয়ান,সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর চাকমা,সহসাধারণ সম্পাদক তাতিন্দ্র লাল চাকমাসহ কয়েকজনকে জাতীয় সম্মেলন ও কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বাদ দিলে সংঘাত চরম আকার ধারণ করে করে।জনসংহতি সমিতি খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি ভিত্তিক বিভক্ত হয়ে পড়ে।
উল্লেখিত নেতাদের বাদ দিয়ে সন্তু লারমা সম্মেলন সম্পন্ন করলে খাগড়াছড়ি অঞ্চলের নেতারা ২০১০সালের ১০এপ্রিল দীঘিনালা বড়াদাম স্কুলে মাঠে কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে আরেকটি জনসংহতি সমিতির আত্মপ্রকাশ ঘটায়।
শুধুমাত্র আহবায়ক কমিটি গঠণ করে সন্তু লারমার ঐক্যের ডাক অপেক্ষা করে।কিন্তু তা আর হয়ে উঠেনি।যে সংগঠণকে বর্তমানে জনসংহতি সমিতি(এমএনলারমা) বলে আমরা জানি।
জুম্মজনগণের শুরু তৃতীয় ধাপের গৃহযুদ্ধ।
পরবর্তীতে জনসংহতি সমিতির প্রবল আক্রমণে ইউপিডিএফ কিছুটা থমকে গিয়েছিল। ওয়ান ইলেভেনের সময় যখন দেশে তত্বাবধায়ক সরকারের শাসন চলছিল তখন জনসংহতি সমিতিতে বিভিন্নরকমের মতানৈকের খবর পাওয়া যায়।যার শুরু ২০০৫ সালের দিকে।
ইউপিডিএফ যখন নিভু নিভু হয়ে গিয়েছিল জনসংহতি সমিতির কাছে আত্মসমর্পণের কথা পাকাপোক্ত হয়েছিল,
ঠিক সেসময় জনসংহতি সমিতির উপর কোপ বসিয়েছিল এদেশের গোয়েন্দা সংস্থা সহ সেনাবাহিনী।
সন্তু লারমা সেচ্ছাসারিতা,একগুয়েমির কারণে অনেক নেতাকর্মীকে সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছিল।
তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর চাকমার সাথে সন্তু লারমার কাজে কর্মে দূরত্ব বেড়ে যায়।
জনসংহতি সমিতিতে সিন্ডিকেট তৈরি হয়ে যায়। ফলে সাধারণ কর্মীদের মধ্য নেতাবাদ সৃষ্টি হয়,সে অমুক নেতার মানুষ ও অমুক নেতার মানুষ ইত্যাদি।
জনসংহতি সমিতিতে প্রথম সংঘাত শুরু হয় দীঘিনালাতে,এরপর পুরো সংগঠনে ছড়িয়ে পড়ে।
নবম জাতীয় সম্মেলনে সন্তু লারমা সিনিয়র সহ-সভাপতি সুধাসিন্ধু খীসা,সহ-সভাপতি রুপায়ন দেওয়ান,সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর চাকমা,সহসাধারণ সম্পাদক তাতিন্দ্র লাল চাকমাসহ কয়েকজনকে জাতীয় সম্মেলন ও কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বাদ দিলে সংঘাত চরম আকার ধারণ করে করে।জনসংহতি সমিতি খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি ভিত্তিক বিভক্ত হয়ে পড়ে।
উল্লেখিত নেতাদের বাদ দিয়ে সন্তু লারমা সম্মেলন সম্পন্ন করলে খাগড়াছড়ি অঞ্চলের নেতারা ২০১০সালের ১০এপ্রিল দীঘিনালা বড়াদাম স্কুলে মাঠে কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে আরেকটি জনসংহতি সমিতির আত্মপ্রকাশ ঘটায়।
শুধুমাত্র আহবায়ক কমিটি গঠণ করে সন্তু লারমার ঐক্যের ডাক অপেক্ষা করে।কিন্তু তা আর হয়ে উঠেনি।যে সংগঠণকে বর্তমানে জনসংহতি সমিতি(এমএনলারমা) বলে আমরা জানি।
জুম্মজনগণের শুরু তৃতীয় ধাপের গৃহযুদ্ধ।
৩)
জনসংহতি সমিতি বিভক্ত হয়ে পড়লে ইউপিডিএফ আত্মসমর্পণ থেকে রক্ষা পায় এবং খাগড়াছড়ি কেন্দ্রীক জনসংহতি সমিতির সাথে এক হয়ে কাজ করতে থাকে।
জনসংহতি সমিতি(এমএনলারমা) ও ইউপিডিএফকে ঠেকাতে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতি সেনা-গোয়েন্দাদের সাথে আঁতাত করে।
সেসময় খাগড়াছড়ির বিভিন্ন এলাকায় সেনা-গোয়েন্দাদের সহযোগীতায় ইউপিডিএফ ও এমএনলারমার বহু কর্মীকে হত্যা করেছিল।
এরপর ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় ইউপিডিএফ ও এমএনলারমা দলের সংঘাতের খবর প্রথম পাওয়া যায় প্রার্থী দেয়া নেয়া নিয়ে।
এরপর ইউপিডিএফ কর্তৃক এমএনলারমা দলকে অর্থ উত্তোলনে বাঁধা দেয়া,চুক্তি নিয়ে প্রচারণায় বাঁধা,সংগঠণ করতে গেলে বাঁধা দেয়া ইত্যাদি ইস্যুকে ঘিরে তাদের দুদলের মধ্যে আস্তে আস্তে দূরত্ব সৃষ্টি হয়।
মূলত ইউপিডিএফ থেকে বলা হয় যে সন্তু লারমা থেকে বিভক্ত হওয়ার পর ইউপিডিএফ এমএনলারমা দলকে কোন আক্রমণ না করে খাগড়াছড়িতে নির্বিঘ্নে চলাফেরার সুযোগ দিয়েছিল,সুতরাং তাদের কথা মতই চলতে হবে।
যা একটা সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে কখনো মেনে চলা সম্ভব নয়।
এভাবে আস্তে আস্তে বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ,মারামারি চলতে থাকে।
২০১৫সালের দিকে এসে সকল সংগঠন থেকে মারামারি-হানাহানি না করার একটা সিদ্ধান্ত এসেছিল।জুম্ম জনগণ ভেবেছিল হয়তো আমাদের ভাগ্য ফিরবে।এ শান্তি অবস্থা ২০১৭সালের গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফ সৃষ্টি না হওয়ার আগ পর্যন্ত বিদ্যমান রয়েছিল ধরা হলেও আদৌতে তা কখনো ছিলনা।
মারামারি-খুনোখুনি বন্ধ রাখার কথা থাকলেও বাঘাইছড়িতে ইউপিডিএফেরা এমএনরারমা দলের নয়ন জ্যোতি চাকমা ও যুদ্ধ চন্দ্র চাকমাকে হত্যা করেছিল,নানিয়াচরে মকবুল চাকমাকে হত্যা করেছিল,খাগড়াছড়ির বেতছড়িতে স্যামুয়েল চাকমাকে হত্যা করেছিল।
যা সেসময়ের মারামারি -খুনোখুনি না করার শর্তগুলো ইউপিডিএফ ভঙ্গ করেছিল।
তারপরও এমএনলারমা দল থেকে কোনরুপ প্রতিক্রিয়া চোখে পড়েনি।
জনসংহতি সমিতি বিভক্ত হয়ে পড়লে ইউপিডিএফ আত্মসমর্পণ থেকে রক্ষা পায় এবং খাগড়াছড়ি কেন্দ্রীক জনসংহতি সমিতির সাথে এক হয়ে কাজ করতে থাকে।
জনসংহতি সমিতি(এমএনলারমা) ও ইউপিডিএফকে ঠেকাতে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতি সেনা-গোয়েন্দাদের সাথে আঁতাত করে।
সেসময় খাগড়াছড়ির বিভিন্ন এলাকায় সেনা-গোয়েন্দাদের সহযোগীতায় ইউপিডিএফ ও এমএনলারমার বহু কর্মীকে হত্যা করেছিল।
এরপর ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় ইউপিডিএফ ও এমএনলারমা দলের সংঘাতের খবর প্রথম পাওয়া যায় প্রার্থী দেয়া নেয়া নিয়ে।
এরপর ইউপিডিএফ কর্তৃক এমএনলারমা দলকে অর্থ উত্তোলনে বাঁধা দেয়া,চুক্তি নিয়ে প্রচারণায় বাঁধা,সংগঠণ করতে গেলে বাঁধা দেয়া ইত্যাদি ইস্যুকে ঘিরে তাদের দুদলের মধ্যে আস্তে আস্তে দূরত্ব সৃষ্টি হয়।
মূলত ইউপিডিএফ থেকে বলা হয় যে সন্তু লারমা থেকে বিভক্ত হওয়ার পর ইউপিডিএফ এমএনলারমা দলকে কোন আক্রমণ না করে খাগড়াছড়িতে নির্বিঘ্নে চলাফেরার সুযোগ দিয়েছিল,সুতরাং তাদের কথা মতই চলতে হবে।
যা একটা সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে কখনো মেনে চলা সম্ভব নয়।
এভাবে আস্তে আস্তে বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ,মারামারি চলতে থাকে।
২০১৫সালের দিকে এসে সকল সংগঠন থেকে মারামারি-হানাহানি না করার একটা সিদ্ধান্ত এসেছিল।জুম্ম জনগণ ভেবেছিল হয়তো আমাদের ভাগ্য ফিরবে।এ শান্তি অবস্থা ২০১৭সালের গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফ সৃষ্টি না হওয়ার আগ পর্যন্ত বিদ্যমান রয়েছিল ধরা হলেও আদৌতে তা কখনো ছিলনা।
মারামারি-খুনোখুনি বন্ধ রাখার কথা থাকলেও বাঘাইছড়িতে ইউপিডিএফেরা এমএনরারমা দলের নয়ন জ্যোতি চাকমা ও যুদ্ধ চন্দ্র চাকমাকে হত্যা করেছিল,নানিয়াচরে মকবুল চাকমাকে হত্যা করেছিল,খাগড়াছড়ির বেতছড়িতে স্যামুয়েল চাকমাকে হত্যা করেছিল।
যা সেসময়ের মারামারি -খুনোখুনি না করার শর্তগুলো ইউপিডিএফ ভঙ্গ করেছিল।
তারপরও এমএনলারমা দল থেকে কোনরুপ প্রতিক্রিয়া চোখে পড়েনি।
৪)
এরপর সালে উপজেলা নির্বাচনের সময় পানছড়িতে ইউপিডিএফের পক্ষ থেকে সর্বোত্তম চাকমাকে সমর্থন করলেও তৎকালীন পানছড়ির ইউপিডিএফ নেতা জলেয়া চাকমা(তরু)[বর্তমান ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক প্রধান] বিএনপির মনোনীত প্রার্থী রিংকু চাকমাকে সমর্থন করতেন।
জলেয়া চাকমা সর্বোত্তম চাকমার ঘোর বিরোধিতার কারণে জলেয়া চাকমাকে নির্বাচনী মাঠ থেকে দূরে রাখার জন্য খাগড়াছড়িতে গৃহবন্ধি করে রাখা হয়।এদিকে উক্ত ঘটনার জন্য প্রয়াত গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফ প্রধান তপন জ্যোতি চাকমা(বর্মা) খুবি মর্মাহত হন।
বিভিন্ন সময় আনন্দ প্রকাশ চাকমারা বর্মাদের কাছে বিভিন্ন তথ্য লুকাতেন,অর্থনৈতিক হিসাব নিকাশ লুকাতেন।
এবং তাদের বাকস্বাধীনতা বলতে কিচ্ছু থাকতোনা।
ফলে একসময় তারা(তরু ও বর্মাসহ বেশ কিছু নেতাকর্মী) সন্তু লারমার দলে চলে যাবার পরিকল্পনা করেন। এ খবর জানতে পেরে এমএনলারমা দল তাদের সাথে যোগাযোগ করে।
তাদের সাথে যোগাযোগ এই জন্য করে যে তাদের মতন নেতা যদি সন্তু লারমা দলে চলে যায় ইউপিডিএফ এবং এমএনলারমা দলের উপর কঠিন আঘাত আসবে।
ইউপিডিএফ বর্মা এবং তরুর সন্তু লারমা দলে চলে যাওয়ার খবর শুনে তাদেরকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেছিল।
ফলশ্রুতিতে বর্মা-তরুরা তাদেরকে হত্যার পরিকল্পনা জানার পর দ্রুত এমএনলারমা দলে আশ্রয় গ্রহণ করে।
এরপর ইউপিডিএফের পক্ষ থেকে এমএনলারমা দলকে বার বার খবর পাঠানো হয়েছিল বর্মা-তরুকে তাদের হাতে তুলে দিতে,
কিন্তু রাজনৈতিক আশ্রিত কাউকে কেউ কারো হাতে তুলে দেয়া কতটুকু উচিত পাঠকগণ উত্তর খুজে নিবেন।ইতিহাসের কোথাও এমন দৃষ্টান্ত পাবেন বলে আমি জানিনা।
ফলশ্রুতিতে বার বার ইউপিডিএফ থেকে এমএনলারমা দলের উপর কঠোর হুশিয়ারি দেওয়া হলে বর্মা-তরুদের নিজেদের পথ নিজেদের খোঁজার কথা বলা হয়।
এরপর বর্মা-তরুরা নিজেদের আত্মরক্ষার তাগিদে এমএনলারমা দলের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় থেকে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক গঠণ করে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরম্ভ করে।
ফলে দুই ইউপিডিএফের সংঘাত শুরু হয়।
কিন্তু প্রসীত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফকে এমএমলারমা দল তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বিচরণের সুযোগ দেয়ায় নানিয়াচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমাসহ বহু এমএনলারমা দলের কর্মীকে হত্যা করলে শুরু হয় ইউপিডিএফ বনাম ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক,এমএনলারমা।
এরপর সালে উপজেলা নির্বাচনের সময় পানছড়িতে ইউপিডিএফের পক্ষ থেকে সর্বোত্তম চাকমাকে সমর্থন করলেও তৎকালীন পানছড়ির ইউপিডিএফ নেতা জলেয়া চাকমা(তরু)[বর্তমান ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক প্রধান] বিএনপির মনোনীত প্রার্থী রিংকু চাকমাকে সমর্থন করতেন।
জলেয়া চাকমা সর্বোত্তম চাকমার ঘোর বিরোধিতার কারণে জলেয়া চাকমাকে নির্বাচনী মাঠ থেকে দূরে রাখার জন্য খাগড়াছড়িতে গৃহবন্ধি করে রাখা হয়।এদিকে উক্ত ঘটনার জন্য প্রয়াত গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফ প্রধান তপন জ্যোতি চাকমা(বর্মা) খুবি মর্মাহত হন।
বিভিন্ন সময় আনন্দ প্রকাশ চাকমারা বর্মাদের কাছে বিভিন্ন তথ্য লুকাতেন,অর্থনৈতিক হিসাব নিকাশ লুকাতেন।
এবং তাদের বাকস্বাধীনতা বলতে কিচ্ছু থাকতোনা।
ফলে একসময় তারা(তরু ও বর্মাসহ বেশ কিছু নেতাকর্মী) সন্তু লারমার দলে চলে যাবার পরিকল্পনা করেন। এ খবর জানতে পেরে এমএনলারমা দল তাদের সাথে যোগাযোগ করে।
তাদের সাথে যোগাযোগ এই জন্য করে যে তাদের মতন নেতা যদি সন্তু লারমা দলে চলে যায় ইউপিডিএফ এবং এমএনলারমা দলের উপর কঠিন আঘাত আসবে।
ইউপিডিএফ বর্মা এবং তরুর সন্তু লারমা দলে চলে যাওয়ার খবর শুনে তাদেরকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেছিল।
ফলশ্রুতিতে বর্মা-তরুরা তাদেরকে হত্যার পরিকল্পনা জানার পর দ্রুত এমএনলারমা দলে আশ্রয় গ্রহণ করে।
এরপর ইউপিডিএফের পক্ষ থেকে এমএনলারমা দলকে বার বার খবর পাঠানো হয়েছিল বর্মা-তরুকে তাদের হাতে তুলে দিতে,
কিন্তু রাজনৈতিক আশ্রিত কাউকে কেউ কারো হাতে তুলে দেয়া কতটুকু উচিত পাঠকগণ উত্তর খুজে নিবেন।ইতিহাসের কোথাও এমন দৃষ্টান্ত পাবেন বলে আমি জানিনা।
ফলশ্রুতিতে বার বার ইউপিডিএফ থেকে এমএনলারমা দলের উপর কঠোর হুশিয়ারি দেওয়া হলে বর্মা-তরুদের নিজেদের পথ নিজেদের খোঁজার কথা বলা হয়।
এরপর বর্মা-তরুরা নিজেদের আত্মরক্ষার তাগিদে এমএনলারমা দলের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় থেকে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক গঠণ করে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরম্ভ করে।
ফলে দুই ইউপিডিএফের সংঘাত শুরু হয়।
কিন্তু প্রসীত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফকে এমএমলারমা দল তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বিচরণের সুযোগ দেয়ায় নানিয়াচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমাসহ বহু এমএনলারমা দলের কর্মীকে হত্যা করলে শুরু হয় ইউপিডিএফ বনাম ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক,এমএনলারমা।
৫)নানিয়াচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমাকে হত্যার পরিকল্পনা জেএসএস সন্তু লারমা ও প্রসীত বিকাশের ইউপিডিএফ একসাথে করেছিল।
এমএনলারমাকে দলকে একযোগে আক্রমণ করার জন্য লংগদু-মারিশ্যার মধ্যবর্তী কাট্টোলী বিল এলাকায় সন্তু লারমা-ইউপিডিএফেরা বৈঠক করেছিল।
প্রথম অবস্থায় সন্তু লারমার দল চুপিচুপি ইউপিডিএফকে সহযোগিতা দিয়ে এসেছিল,
যাহাতে তাদের নাম জনসম্মুখে না আসে।
কিন্তু সন্তু লারমার দল বাঘাইছড়িতে উপজেলা নির্বাচনের সময় এমএনলারমা দলের কর্মী অপহরণ এবং এর পরবর্তী বসু,এ্যানো ও শতসিদ্ধিকে হত্যা করে প্রকাশ্য এমএনলারমা দলের সাথে সংঘাতে জড়ায়।
এমএনলারমাকে দলকে একযোগে আক্রমণ করার জন্য লংগদু-মারিশ্যার মধ্যবর্তী কাট্টোলী বিল এলাকায় সন্তু লারমা-ইউপিডিএফেরা বৈঠক করেছিল।
প্রথম অবস্থায় সন্তু লারমার দল চুপিচুপি ইউপিডিএফকে সহযোগিতা দিয়ে এসেছিল,
যাহাতে তাদের নাম জনসম্মুখে না আসে।
কিন্তু সন্তু লারমার দল বাঘাইছড়িতে উপজেলা নির্বাচনের সময় এমএনলারমা দলের কর্মী অপহরণ এবং এর পরবর্তী বসু,এ্যানো ও শতসিদ্ধিকে হত্যা করে প্রকাশ্য এমএনলারমা দলের সাথে সংঘাতে জড়ায়।
এখন বর্তমানের সংঘাতে লিপ্ত দলগুলোর সমীকরণ এরকমঃ
ইউপিডিএফ(প্রসীত),জেএসএস(সন্তু লারমা)=জেএসএস(এমএনলারমা),ইউপিডিএফ(গণতান্ত্রিক)
ইউপিডিএফ(প্রসীত),জেএসএস(সন্তু লারমা)=জেএসএস(এমএনলারমা),ইউপিডিএফ(গণতান্ত্রিক)
এখন আপনি বর্তমান সময়ে জুম্মদের এই দুর্যোগ পরিস্থিতির জন্য কাকে দায়ী করবেন?
এসব দায়ী করাকরি করলে সমাধান আসবেনা কোনদিন!মূলত সমাধানের পথকে খুঁজে বের করাই হতে হবে আমাদের একমাত্র লক্ষ্যে।
আমরা দেখতে পাই পৃথিবীর ইতিহাসে যেখানেই আন্দোলন সংগ্রাম সংগঠিত হয়েছে সেখানেই ভিন্ন মত পার্থক্যের কারণে সংগঠণ বিভাজিত হয়েছে।
ভারতের ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে সুভাষ চন্দ্র বসু আর মহাত্মা-জহুরলালদের মতাপার্থক্য দেখতে পাই। কিন্তু তারা কখনও একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই অসংখ্য নামে বেনামে সংগঠণ যুদ্ধ করে স্বাধীন করেছে।
ঠিক আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামে অসংখ্য দল গড়ে উঠেছে বলে দুঃখ পাবার কারণ নেই।
মতবিরোধ থাকতে পারে সেটা স্বাভাবিক,
কিন্তু মূল সমস্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে এই যে আমরা একে অপরের বিরুদ্ধে লড়ছি।
আমরা মূখ্যশত্রু-গৌণশত্রুর তফাৎটা বুঝতে চেষ্টা করছিনা।
সেজন্য বিপ্লবে-আন্দোলনে প্রথমেই আমাদের যে কাজটি করতে হবে,কে শত্রু আর কে মিত্র।
এসব দায়ী করাকরি করলে সমাধান আসবেনা কোনদিন!মূলত সমাধানের পথকে খুঁজে বের করাই হতে হবে আমাদের একমাত্র লক্ষ্যে।
আমরা দেখতে পাই পৃথিবীর ইতিহাসে যেখানেই আন্দোলন সংগ্রাম সংগঠিত হয়েছে সেখানেই ভিন্ন মত পার্থক্যের কারণে সংগঠণ বিভাজিত হয়েছে।
ভারতের ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে সুভাষ চন্দ্র বসু আর মহাত্মা-জহুরলালদের মতাপার্থক্য দেখতে পাই। কিন্তু তারা কখনও একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই অসংখ্য নামে বেনামে সংগঠণ যুদ্ধ করে স্বাধীন করেছে।
ঠিক আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামে অসংখ্য দল গড়ে উঠেছে বলে দুঃখ পাবার কারণ নেই।
মতবিরোধ থাকতে পারে সেটা স্বাভাবিক,
কিন্তু মূল সমস্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে এই যে আমরা একে অপরের বিরুদ্ধে লড়ছি।
আমরা মূখ্যশত্রু-গৌণশত্রুর তফাৎটা বুঝতে চেষ্টা করছিনা।
সেজন্য বিপ্লবে-আন্দোলনে প্রথমেই আমাদের যে কাজটি করতে হবে,কে শত্রু আর কে মিত্র।
লেখকঃপেদেলা চাঙমা(ছদ্মনাম)
No comments:
Post a Comment