জাতীয়তাবাদ শব্দটি ইংরেজী ন্যাশনালিজিম শব্দের বাংলা পরিভাষা।ন্যাশনালিজম শব্দটি ১৮৪৪ সাল থেকে ব্যবহৃত হতে থাকে,যদিও জাতীয়তাবাদ মতবাদটি আরও আগে থেকে চলে আসছে।১৯শ শতাব্দীতে এই মতবাদ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।মতবাদটি এর অন্তর্নিহিত অর্থের কারণে ১৯১৪ সালের পর থেকে নেতিবাচক রূপ লাভ করে। গ্লেন্ডা স্লুগা বলেন,২০শ শতাব্দী হল জাতীয়তাবাদের মোহমুক্তি এবং আন্তর্জাতিকতাবাদের উন্মেষের সময়।কথিত আছে যে,জাতীয়তাবাদের আবির্ভাব ঘটেছে পাশ্চাত্যের মাটিতে।সেখান থেকে বিস্তার লাভ করেছে প্রাচ্যের দেশগুলোতে।পাশ্চাত্যে জাতীয়তাবাদী চিন্তা ও চেতনা জাগরিত করবার ক্ষেত্রে ১৭৮৯ সালের ফরাসি বিপ্লব এক ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।এই বিপ্লবের মূল স্লোগান ছিল,সাম্য,স্বাধীনতা ও সৌভ্রাতৃত্ব।পরবর্তীকালে ১৭৭৬ সালের আমেরিকার ঐতিহাসিক স্বাধীনতা সংগ্রাম জাতীয়তাবাদী সংগ্রামকে আরো সুসংহত ও শক্তিশালী করেছিল।
ভারতবর্ষে জাতীয়তাবাদের বিস্তার ঘটেছিল পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরেই।অনেকে একথা মনে করে যে সম্রাট অশোক,সমুদ্রগুপ্ত কিংবা সম্রাট আকবরের 'অখন্ড ভারত' নির্মাণের চিন্তাধারার মধ্যে জাতীয়তাবাদের ভাবাদর্শ লুকায়িত ছিল।ভারতীয় গণতন্ত্রের 'পরমত সহিষ্ণুতা' দর্শনের সন্ধান পাওয়া যায় মোঘল সম্রাট আকবরের ধর্মীয় দর্শন নীতির মধ্যে।যদিও আকবরের সাম্রাজ্য জয়ের নীতির মধ্যে এক ভিন্ন জাতীয়তাবাদী দর্শনের খোঁজ পাওয়া যায়।পাশ্চাত্যের আধুনিক শিক্ষার সান্নিধ্যে এসে ভারতবর্ষের উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মধ্যে জাতীয়তাবাদী ভাবধারার বিকাশ ঘটেছিল।জাতীয়তাবাদ হল এমন এক ভাবগত অনুভূতি যা মানুষের মন-জগতে চিন্তা ও চেতনার স্তরে তৈরি হয়।যদিও এই অনুভূতি তৈরি হওয়ার পেছনে এক বা একাধিক বস্তুগত কারণ বিদ্যমান থাকে।যে সকল কারণগুলি একপ্রকার একতা তৈরিতে সহায়তা করে।ভারতীয় জাতীয়তাবাদের মূল ধারার আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল দুটি ভাবনার মধ্যে,
একদিকে নিজের মাতৃভূমিকে স্বাধীন করবার আকাঙ্খা অন্যদিক পরাধীনতার বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়ার চিন্তা।
ফলশ্রুতিতে কাশ্মীর হতে শুরু করে কন্যাকুমারী পর্যন্ত সমগ্র ভারতবাসী একত্র হয়েছিল।যা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ঐক্যের শক্তিকে মজবুত ও শক্তিশালী করেছিল।ব্রিটিশবিরোধী জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের উত্তাল তরঙ্গ আছড়ে পড়েছিল ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহে।ভারতবর্ষে জাতীয়তাবাদের বিকাশের ক্ষেত্রে অসামান্য ভূমিকা পালন করেছিলেন রাজা রামমোহন রায়,বিদ্যাসাগর,বিবেকানন্দ ও অ্যানি বেসান্ত এর মত সমাজ সংস্কারক চিন্তাবিদদের চিন্তাধারা।তৎকালীন ভারতবর্ষে জনগনের চিন্তা ও চেতনার স্তরকে জাগরিত করে জাতীয়তাবাদের অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত করার ক্ষেত্রে এদেশের পত্র-পত্রিকাগুলো অসামান্য ভূমিকা রেখেছিল।এছাড়াও তৎকালীন সময়ে ব্রিটিশ সরকারের একাধিক পদক্ষেপ,যেমন বঙ্গভঙ্গ,ভার্নাকুলার প্রেস অ্যাক্ট ও ইলবার্ট বিল প্রভৃতি ভারতীয়দের মধ্যে অসন্তোষ বৃদ্ধি করেছিল।যা ভারতীয়দের মধ্যে ঐক্যের ভীতকে শক্তিশালী করেছিল।এই জাতীয়তাবাদী চিন্তা ও চেতনা ভারতীয়দের উৎসাহিত করেছিল ব্রিট্রিশবিরোধী একের পর এক গণান্দোলনের তরঙ্গকে অব্যাহত রাখতে।
পরাধীন ভারতবর্ষকে স্বাধীন করবার সংকল্প বাস্তবায়নের জন্য যে জাতীয়তাবাদের জন্ম হয়েছিল,তা ছিল তৎকালীন ভারতবর্ষের মূলস্রোতের জাতীয়তাবাদ।এটি ছিল একপ্রকার অখন্ড জাতীয়তাবাদ।যেখানে সমস্ত পরিচিতির উপরে 'আমরা ভারতীয়' এই অনুভূতি দেখা দিয়েছিল।যা সমগ্র ভারতবাসীকে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করতে অনুপ্রাণিত করেছিল।অপরদিকে সেই স্বাধীনতা সংগ্রামের আলোকপ্রাপ্ত দিনগুলোতে এই অখন্ড জাতীয়তাবাদী ভাবধারার মধ্যে ধর্মভিত্তিক এক ধরণের ভিন্ন ভাবধারার জাতীয়তাবাদী ভাবাদর্শের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। যার মধ্যে আমরা হিন্দুধর্মভিত্তিক হিন্দু জাতীয়তাবাদ এবং ইসলাম ধর্মভিত্তিক মুসলিম জাতীয়তাবাদ।যার ফলশ্রুতিতে একসময় এই দুই জাতীয়তাবাদ প্রখর হয়ে উঠলে ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জনের প্রাক্কালে নতুন পৃথক দুটি রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তান পৃথকভাবে স্বাধীনতা লাভ করে।ব্রিটিশ সরকার তাঁদের শাসনের স্থায়ীত্ব বৃদ্ধি করণের জন্যই উপমহাদেশে এ ধরণের বিভাজনের নীতি বা ভাগ কর শাসন কর নীতি প্রয়োগ করেছিল।ব্রিটিশদের ঐ নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে পরবর্তীতে আমরা দেশকে বিভক্ত করে ফেলি,যার সাম্প্রদায়িকতার রেশ আজও ভারতবর্ষের বিভক্ত বিভিন্ন দেশগুলোতে লক্ষ্য করা যায়।
ভারতবর্ষে স্বাধীনতার পর যখন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে গিয়েছে তখন ভারতীয় জাতীয়তাবাদের মধ্যে ভাষা,জাতি,ধর্ম ও সংস্কৃতিগত স্বতন্ত্রটার ভিত্তিতে পৃথক আইডেন্টির দাবীতে একাধিক জাতীয়তাবাদী ধারণার অবয়ব ক্রমশ প্রকট হয়েছে।ভাষার ভিত্তিতে পৃথক রাজ্যের দাবীতে রাজ্য রাজনীতি তথা জাতীয় রাজনীতি বেশ কয়েক দশক উত্তাল হয়েছিল। ভারত সরকার বাধ্য হয়ে আন্দোলনকে স্তিমিত করার জন্য ১৯৫৩ সালে 'রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন' তৈরি করেছিল এবং ১৯৫৬ সালে রাজ্য পুনর্গঠন আইন পাশ হয়েছিল।এভাবে ভারতে ভাষাভিত্তিক,জাতি ভিত্তিক একের পর এক রাজ্য আত্মপ্রকাশ করেছিল।যার সর্বশেষ রাজ্য তেলেঙ্গানার আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল।এখনও পর্যন্ত যে সকল জাতিগোষ্ঠী কিংবা ভাষাগোষ্ঠীর দাবী পূরণ সম্ভব হয়নি তারা তাঁদের দাবী স্বপক্ষে আন্দোলন করে যাচ্ছে।যার উদাহরণ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের গোর্খাদের গোর্খাল্যান্ডের দাবীর কথা উল্লেখ করা যেতে পারে।
স্তালিনের মতে একটি জাতি গঠনের ক্ষেত্রে ধর্ম কোন মৌলিক বিষয় নয়। যার উদাহরণ হিসেবে আমরা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠটা নিয়ে গড়ে উঠা পাকিস্তান থেকে বর্তমান স্বাধীন বাংলাদেশের কথা বলতে পারি।মার্কসবাদী দৃষ্টিতে জাতীয়তাবাদ মানব সমাজের ক্রমবিকাশের একটি পর্যায়ে গড়ে উঠে আবার মানব সমাজের ক্রমবিকাশের একটি পর্যায়ে এসে তা ভেঙে যায়।আমরা যদি লক্ষ্য করি ব্রিটিশ আগ্রাসন থেকে মুক্তির জন্য পুরো ভারতবর্ষের মানুষের মধ্যে ভারতীয় জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠেছিল আবার ব্রিটিশদের হাত থেকে স্বাধীনতার প্রাক্কালে ভারতীয় জাতীয়তাবাদ ভেঙে ধর্মভিত্তিক হিন্দু জাতীয়তাবাদ ও মুসলিম জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠে।আবার স্বাধীন ভারতবর্ষে বিভিন্ন ভাষা, জাতি,ধর্ম,সংস্কৃতিক গোষ্ঠীদের দ্বারা বিভিন্ন জাতীয়তাবাদের সৃষ্টির ফলে অনেকগুলো রাজ্য গড়ে উঠে।আজও ভারতে বিভিন্ন জাতীয়তাবাদের উদ্ভবের চিত্র আমরা দেখতে পাই।গোর্খারা গোর্খাল্যান্ডের দাবী তুলছে, কাশ্মীরীরা কাশ্মিমের স্বাধীনতার দাবী তুলছে,মনিপুরীরা মনিপুরের স্বাধীনতার দাবী তুলছে।এছাড়াও ত্রিপুরা,মিজোরাম,নাগাল্যান্ড,আসামসহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন জাতীয়তাবাদের উৎপত্তি হয়েছে এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের দাবীতে সংগ্রাম করে যাচ্ছে।হয়তো ভবিষ্যতে অনেক জাতীয়তাবাদ সফল হবে আর নতুন রাষ্ট্রের উদ্ভব হবে।
আর স্বাধীন পাকিস্তানে ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদ থেকে পরবর্তীতে পূর্ব পাকিস্তানের বাংলা ভাষাভাষী মানুষদের ভাষাভিত্তিক জাতীয়বাদ গড়ে উঠে এবং পরবর্তীতে তা বাঙালী জাতীয়তাবাদে রূপ নেয়।এর পর পশ্চিম পাকিস্তানীদের হাত থেকে নিজেদের ভাষা,সংস্কৃতি,ঐতিহ্য ও জাতীকে রক্ষার তাগিদে স্বাধীনতার চূড়ান্ত সংগ্রাম করে এবং বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়।পৃথিবীতে মানব সমাজের ক্রমবিকাশের একটা সময়ে প্রয়োজনের তাগিদে জাতীয়তাবাদের সৃষ্টি হয় আবার সমাজের ক্রমবিকাশের একটা সময়ে এসে ভেঙে যায়।
উপরিউক্ত বিশ্লেষণে উপমহাদেশের বিভিন্ন জাতীয়তাবাদের উদ্ভব আমরা লক্ষ্য করেছি আবার সময়ের পরিক্রমায় সেগুলো ভেঙে যেতেও দেখেছি।বর্তমান স্বাধীন বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভিন্ন ভাষাভাষীর ১৪টি জাতিগোষ্ঠীর সমন্বয়ে গড়ে উঠা "জুম্মজাতীয়তাবাদ"ও সমাজের ক্রমবিকাশের এক পর্যায়ে গড়ে উঠেছে।এবং ১৪টি ভিন্ন ভিন্ন জাতিগোষ্ঠী যদি এই জুম্ম জাতীয়তাবাদের উদ্দেশ্য-লক্ষ্যের প্রতি অবিচল থেকে আন্দোলন পরিচালনা করতে পারে তবে জুম্মজাতীয়তাবাদ যে উদ্দেশ্য নিয়ে গড়ে উঠেছিল তা সফল হবে।মূলত জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠে সমাজ বিকাশের এক বিশেষ বাস্তবতায়।বিভিন্ন উন্নত জাতিগোষ্ঠীর আগ্রাসন,শোষণ,নীপিড়নের হাত থেকে রক্ষা ও নিজেদের জাতি,ধর্ম,সংস্কৃতি,ঐতিহ্য ইত্যাদির রক্ষা এবং নিজেদের স্বাতন্ত্র্যটা রক্ষার জন্যই জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠে।জুম্ম জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠার পেছনেও এই কারণগুলোই দ্বায়ী।সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে যখন সংবিধান রচনা করা হচ্ছিল তখন সংবিধানে ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীগুলোর অস্তিত্বকে অস্বীকার করে,দেশের সমস্ত নাগরিকদের বাঙালী বানানো হয়েছিল।
যার বিরোধীতা করেছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের ১ আসনের সংসদ এমএন লারমা এবং সংসদ ওয়াকআউট করেছিলেন।পার্বত্য চট্টগ্রামের ব্রিটিশ আমল,পাকিস্তান আমল এবং তৎপূর্ববর্তী ঐতিহাসিক স্বীকৃতি ও এদেশের ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষদের সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ অস্বীকৃতি জানায়।যার ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য রক্ষা ও ভিন্ন ভাষাভাষী মানুষদের সংস্কৃতি,ঐতিহ্য,ভাষা,আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠা সর্বোপরি জাতীয় অস্তিত্ব সংরক্ষণের তাগিদেই এমএন লারমা জুম্ম জাতীয়তাবাদের ধারণা দেন।এবং জুম্ম জাতীয়তাবাদের ধারণা লালন করেই পাহাড়ের সবচাইতে প্রাচীন রাজনৈতিক সংগঠন জনসংহতি সমিতি গড়ে উঠে।জুম্ম জাতীয়তাবাদের ধারণাটা এসেছে পাহাড়ের সমস্ত জাতিগোষ্ঠীগুলোর অর্থনৈতিক জীবন ধারা এবং অর্থনৈতিক ঐক্য জুম চাষের উপর ভিত্তি করে।তৎকালীন সময়েও এই জুম্ম শব্দটি নিয়ে মতপার্থক্য ছিল,যার কারণে বিভিন্ন জনগোষ্ঠী থেকে জনসংহতি সমিতিতে আসা বিভিন্ন জনকে একটি নাম বা শব্দ নির্বাচন কিংবা নির্ধারণ করতে বলা হয়েছিল।যা হতে হবে সার্বজনীন সকল জাতির ক্ষেত্রে,
কিন্তু জুম্ম শব্দটির বিপরীতে সেদিন সার্বজনীন অন্যকোন শব্দ বা নাম কেউ দিতে পারেনি।যার কারণে এই জুম্ম শব্দটিকেই বেছে নেয়া হয়েছিল,সুতরাং এ সময়ে এসে আমাদের পূর্বজদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসকে অস্বীকার করে আমরা তাঁদের আত্মত্যাগকে কলঙ্খিত করতে পারিনা।
যেদিন জুম্ম জাতীয়তাবাদের উদ্দেশ্য-লক্ষ্য পূরণ হবে সেদিন হয়তো পাহাড়ে জুম্ম জাতীয়তাবাদ ভেঙে গিয়ে আরো ভিন্ন ভিন্ন জাতীয়তাবাদের উদ্ভব হবে।তাঁর কারণ পাহাড়ে অসংখ্য জাতিগোষ্ঠীর বসবাস এবং জুম্ম জাতীয়তাবাদ অসংখ্য জাতিগোষ্ঠীর মিলন ক্ষেত্র।সুতরাং আমাদের উচিত হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত জুম্ম জাতীয়তাবাদের উদ্দেশ্য-লক্ষ্য পূরণ হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত পাহাড়ের সকল আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীগুলো জুম্ম জাতীয়তাবাদ যে আদর্শে গড়ে উঠেছে সে আদর্শের প্রতি বিশ্বাস রেখে জুম্ম জাতীয়তাবাদের উদ্দেশ্য পূরণে নিজেদের সপে দেয়া।
তথ্যসূত্রঃ
১।জাতীয়তাবাদ (উইকিপিডিয়া)
২।জাতি সমস্যায় মার্কসবাদ (সুপ্রকাশ রায়)
৩।বৈচিত্রময় ভারতভূমিতে বহুরুপী জাতীয়তাবাদঃ একটি পর্যালোচনা (আর্টিকেল, ত্রিদিব শঙ্কর ধাড়া)
৪।জাতি ও জাতীয়তাবাদ প্রসঙ্গে গোড়ার কথা (আর্টিকেল,ড.আবুল হোসেন)
Nishan Talukder
ফেসবুক পোস্ট
১লা জুন ২০২০
No comments:
Post a Comment